“There’s so much more to life than finding someone who will want you, or being sad over someone who doesn’t. There’s a lot of wonderful time to be spent discovering yourself without hoping someone will fall in love with you along the way, and it doesn’t need to be painful or empty. You need to fill yourself up with love. Not anyone else. Become a whole being on your own. Go on adventures, fall asleep in the woods with friends, wander around the city at night, sit in a coffee shop on your own, write on bathroom stalls, leave notes in library books, dress up for yourself, give to others, smile a lot. Do all things with love, but don’t romanticize life like you can’t survive without it. Live for yourself and be happy on your own. It isn’t any less beautiful, I promise.”

Advertisements

তর্পণ
*****

পর্দাটানা আলোআঁধারি ঘরটার কোণে বিশাল সেক্রেটারিয়েট টেবিলের ওপর তোমার ভাঁজকরা চশমাটা তেমনি পড়ে আছে আজকের খবরের কাগজের অপেক্ষায়। লাগোয়া বাথরুমে বেসিনের ওপর এখনো সাজানো তোমার জিভছোলা, শেভিং ব্রাশ, সাবানের কৌটো।

তোমার শখের বুককেসের কাঁচের মধ্যে দিয়ে উঁকি মারছে সাতটি তারার তিমির আর ধূসর পান্ডুলিপি—-
আলমারি খুলে রোজই গুছোই তোমার ফেলে যাওয়া জামাকাপড়—
তোমার ঘ্রাণ কি এত সহজেই মিলোবার?
খাটের নিচেই হাওয়াই চটিটা সরিয়ে রাখতে গিয়ে হঠাৎ যে কি হলো আমার—? অব্যক্ত বেদনায় হুহু করে উঠল বুকের ভিতর—-

পুষ্করের হ্রদ ঘিরে অগুন্তি ঘাট। কার্তিকের শনশনে হাওয়ায় দূ—রে সাবিত্রী পাহাড়ের চূড়ার মন্দিরের লাল পতাকাটা পতপত করে উড়ছে।
আমি অলস পায়ে সিঁড়ি ভেঙে নামছি কাকচক্ষু জলকে ছোঁবো বলে। ছুঁলাম।
রাজস্থানী ঋত্বিক এগিয়ে এলো ফুল আর নারকেলের উপচার নিয়ে।
”পরদাদা, দাদাজি অউর পিতা কা নাম লিজিয়ে”—
আমি প্রপিতামহ, পিতামহের নাম উচ্চারণ করলাম।
”পিতা কা নাম?”
আমি ঘাড় নাড়লাম। পুরোহিতের অবাক দৃষ্টি ধুয়ে দিলো সিঁড়িতে বসা মা-কে—– পরনে কালাপেড়ে শাড়ি, রিক্ত কপাল, আভরণহীন দুই হাত— পন্ডিতের চোখের জিজ্ঞাসাকে আমল দিলাম না।
যে প্রতিটি নিশ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে জড়িয়ে ভীষণ ভাবে বেঁচে আছে, আমাদের আটপৌরে জীবনের ছত্রে ছত্রে যার দৃপ্ত স্বাক্ষর, তাকে অতীতপুরুষ ভেবে তর্পণ করব কেন?
না, সে আমার তর্পণের অধিকারী নয়।

কাল মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের সূচনা। বহু মানুষ গঙ্গায় যাবেন, পূর্বজদের তিলাঞ্জলির তর্পণ করবেন।
আমারও যেতে ইচ্ছে করছে। জানি, যাওয়া হবে না। কোনো পুরোহিত আমাকে দিয়ে তর্পণ করাবেন না।
কারণ, আমি তো পিতৃপুরুষদের জল দিতে যাব না।

আমি তর্পণ করব, সেই খড়খড়ি আর শার্সি দেওয়া জানলা আর কড়িবরগাওয়ালা ঠাকুরদালান শোভিত পুরোনো বাড়ির— যা ভেঙে তৈরি হয়েছে হালফ্যাশানের বহুতল;

আমি তর্পণ করব, ঠাকুর্দা ঠাকুমা, জ্যাঠা কাকা, খুড়ি, পিসি সম্বলিত সেই একান্নবর্তী পরিবারগুলোর— যেগুলো ভেঙে টুকরো হয়ে তৈরি হয়েছে অণু-পরমাণু সংসার;

আমি তর্পণ করব আকাশপ্রদীপের– উঁচু ফ্ল্যাটবাড়ির ছাদের উপর জ্বলা-নেভা লাল বালবের কাছে লজ্জা পেয়ে মুখ লুকিয়েছে যে বহুকাল;

তর্পণ করব বন্ধ মিল-কারখানার আগাছা গজানো বয়লার আর জংধরা লোহালক্কড়, যারা এককালে মেশিন ছিল — বিশ্বকর্মা এখন দ্বিগুণ জাঁকে সিন্ডিকেট আর মিনিবাস স্ট্যান্ডে বিরাজ করছেন, নিরন্ন শ্রমিকের কথা কবেই ভুলেছেন তিনি;

তর্পণ করব মায়ের হাতের জন্মদিনের পায়েসের— নামী দোকানের কেক পেস্ট্রির স্বাদ যাকে অক্লেশে দশ গোল দেবে;

তর্পণ করব নৈঃশব্দ্যের—- বড্ড বেশি কোলাহল আজ চারপাশে।

যা গেছে সে তো গেছেই, রাতের তারার মতো দিনের আলোর গভীরেও সে আর নেই।
আমার অবুঝ বিশ্বাস তবু সে—ই ছোট্টবেলার মতো স্বপ্ন দেখে— দক্ষিণসমুদ্র বেয়ে, উত্তমাশা অন্তরীপ ছুঁয়ে, মেরুঝড় তুচ্ছ করে, বিজয়ী নাবিকের মতো বাবা আসছে। আসছেই। আর কে না জানে, বাবা এলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। সব চাওয়া খুঁজে পাবে নিজের ঠিকানা।

তাই এই মহালয়াতেও আমি তর্পণ করব না বাবা। ঝুরো স্বপ্নগুলো সময়ের চৌকাঠ ডিঙিয়ে বড় তাড়াতাড়ি ভেঙে ভেঙে যাচ্ছে। তুমি আর দেরি কোরো না। শিগগির এসো।

এই যে তুমি ট্রেনের জানালার ধারের সিটে বসে আছ।মাঝে মধ্যে আনমনা হয়ে যাচ্ছ। ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছ যতটুকু দেখতে পাওয়া যাবে এই মাঠ , প্রকৃতি মাঠ জুড়ে কাশের বন হাওয়ায় দোল খাচ্ছে আগমনীর সুরে। আকাশ জুড়ে আঁকা আজ হাল্কা মেঘের আলপনা।মন জুড়ে আজ শিউলি ফুলের সুগন্ধ। প্রাণের উত্সবে আজ রঙ লেগেছে।পূজোর রূপ, রস,গন্ধে বাঙালির মেলবন্ধন আজ। মহালয়ার ভোর। তুমি বাড়ি ফিরছ চার বছর পর।কুমোরটুলিতে প্রতিমার চক্ষু দান হচ্ছে। মোবাইল এর হেডফোন এ আগমনী চলছে।অনেক কিছু ভাবছ জানি। দূরপাল্লার ট্রেন । অন্য কম্পার্টমেন্ট থেকে একটি ছোট ছেলে গান গাইতে গাইতে এগিয়ে আসছে , ছেলেটার গলায় বিরহের সুর। এক ধাক্কায় কয়েক বছর পিছিয়ে গেলে তুমি। এই একই গান তুমি শুনতে রাতের অন্ধকারে ডুবে।ছেলেটার গলায় কী গভীর মায়া।তুমি ওর দিকে তাকিয়ে হাসলে, হয়তো কিছু দিলে। ছেলেটা থেমে একই ভাবে গান করতে করতে সামনের দিকে এগিয়ে গেল। তুমি অতীতে থমকে গেলে। পিছুটান থেকে যায় ; মন কেমন করা কিছু গানের সাথে।
#_Anindita Chaudhuri

এই যে তুমি ট্রেনের জানালার ধারের সিটে বসে আছ।মাঝে মধ্যে আনমনা হয়ে যাচ্ছ। ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছ যতটুকু দেখতে পাওয়া যাবে এই মাঠ , প্রকৃতি কাশের বন হাওয়ায় দোল খাচ্ছে । অনেক কিছু ভাবছ জানি। অন্য কম্পারটমেন্ট থেকে একটি ছোট ছেলে গান গাইতে গাইতে এগিয়ে আসছে । ছেলেটার গলায় বিরহের সুর। এক ধাক্কায় কয়েক বছর পিছিয়ে গেলে তুমি। এই একই গান তুমি শুনতে রাতের অন্ধকারে ডুবে।ছেলেটার গলায় কী গভীর মায়া।তুমি ওর দিকে তাকিয়ে হাসলে, হয়তো কিছু দিলে। ছেলেটা থেমে একই ভাবে গান করতে করতে সামনের দিকে এগিয়ে গেল। তুমি অতীতে থমকে গেলে। পিছুটান থেকে যায় ; মন কেমন করা কিছু গানের সাথে।

Gandhi Behind the partition

Gandhiji supported the idea of a separate State for Muslims. In a sense he was responsible for the creation of Pakistan.In spite of the Pakistani aggression in Kashmir, Gandhiji fasted to compel the government of India to release an amount of Rs. 55 crores due to Pakistan.The belligerence of Muslims was a result of Gandhiji’s policy of appeasement.
গান্ধী যাকে বৃটিশ সাম্রাজ্য ভারতে ইমপোর্ট করেছিল সশত্র আন্দোলনকে ভোঁতা করে দিতে ।গান্ধী মুসলিম মৌলবাদকে তুষ্ট করতে স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে খিলাপথ আন্দোলনকে যুক্ত করে ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িকতা ও মুসলিম তোষণের রাজনীতির বীজ পুঁতে দিয়েছিলেন ।তিনি কেরলে হিন্দু হত্যার প্রতীক মোপলা বিদ্রোহকে সমর্থন করেছিলেন। তিনিই জেহাদী দ্বারা ধর্ষিতা হিন্দু নারীকে মুখ বুঁজে অত্যাচার সহ্য করার পরামর্শ দিয়েছিলেন ।অখন্ড ভারতের মানুষকে আশ্বাস দিয়েছিলেন দেশ ভাগ হলে, তাঁর মৃতদেহের ওপর হবে, কিন্তু কোটি কোটি মানুষের আস্থা ভরসা বিশ্বাস জলাঞ্জলি দিয়ে ঘাড় কাত করে দেশভাগ মেনে নিয়েছিলেন।গান্ধী 1946 সালে কলকাতা নোয়াখালী হিন্দু নিধন যজ্ঞের সময় হিন্দুদের বাঁচানোর কোন চেষ্টা করেন নি, পাকিস্থান থেকে ভিটে মাটি ছাড়া উদ্বাস্তু সন্ত্রস্ত হিন্দুরা এদেশে এসে অসহায় নিরশ্রযের মত মসজিদে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের মসজিদ থেকে বিতাড়নের দাবীতে গান্ধী সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন । তিনি নেতাজীর প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁকে কংগ্রেস দল থেকে তাড়ানোর ব্যবস্থা করেছিলেন । পাকিস্থানের বকেয়া 55 কোটি টাকা দেবার দাবীতে আমরন অনশন করেছিলেন হ্যাঁ ইনিই সেই মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী যিনি পরাধীন ভারতে বিশেষ করে হিন্দু জাতির প্রতি তাঁর মহান অবদানের জন্যে দেশ তাঁকে ‘ জাতির জনক ‘ বানিয়ে দিয়েছে । দুর্বল নপুংসক হিন্দু জাতির এই মহান প্রেরনাদাতা গান্ধী সত্যি যে বর্তমান দেশপ্রেমহীন কাপুরুষ জেহাদী ভজনকারী জাতিকে দেখলেই বোঝা যায় যে কত সার্থক ছিলেন গান্ধী, গোটা জাতিটাকে পঙ্গু করে দিতে । আজ সেই মহাত্মা (? ) গান্ধীর জন্মদিন।এবার আপনারা কেক কাটাবেন না পায়েস খাওয়াবেন নিজেরাই ঠিক করুন

ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ

জন্মদিনে তাকে প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী।

তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্পতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি হবার পর তার গুণমুগ্ধ ছাত্র ও বন্ধুরা তার জন্মদিন পালন করতে চাইলে তিনি বলেন,জন্মদিন পালনের পরিবর্তে 5ই সেপ্টেম্বর যদি শিক্ষক দিবস উদযাপিত হয়, তবে আমি বিশেষ ভাবে অনুগ্রহ লাভ করব।

সেই থেকে এই দিনটি ভারতে শিক্ষক দিবস রূপে পালিত হয়ে আসছে।এটি তার উদার মানসিকতা, মহানুভবতার পরিচয়। এই কারণেই তিনি অনন্য সাধারণ; যে কারণে ভারতের ছাএ সমাজ তাকে কখনও ভুলবে না।

আজ শিক্ষক দিবসে আমরা আমাদের গুরুদের অন্তরের প্রণাম জানাই।আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা তাদের জন্য।আমাদের যা কিছু শেখা তাদের জন্য বলতে দ্বিধা নেই।আমাদের গুরু তো বটেই এমনকি বিশ্বের সকল গুরুর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাই

on this teachers day we thank them and say we love you and we are grateful to you for all you do for us.we should always obey our teachers orders and follow their advice to be the worthy citizens of India.we must pay our respect to our teachers in our society.

let us express our heartfelt thanks and sincerest wishes & best regards to our respected teachers..

# Team আনকোরা