# শহরের বইমেলা।।

নতুন বইয়ের খোঁজে, প্রাণের টানে, প্রতিটা স্টলে থাকা বইপ্রেমীদের ভালো উপস্থিতি নজরে আসে।
বইমেলার আমেজ পাই নতুন বইয়ের গন্ধ শুঁকে। প্রতিটি স্টলে থাকে ঝকঝকে বই ।মানুষের সবচেয়ে বড়ো সঙ্গী বই।আমরা পাই মুক্ত জীবনের স্বাদ।বইমেলায় সত্যিকারের বই পড়ুয়া মানুষ যেমন এসে ঘোরাফেরা করে, কেনাকাটি করে আনন্দ পায়। লিটল ম্যাগাজিন মানুষজন যেমন উপভোগ করে, তেমনই হুজুগে মানুষজনও আনন্দ পায়।বইমেলার সুবাদে আমাদের দেশের নতুন নতুন লেখকরাও বড় লেখকদের সাথে তাদের বই প্রকাশ করতে পারে।
ঘরের বাইরে সামাজিক গতিবিধি থেকে দূরে ছুটির মেজাজে উপভোগের হালকা বাতাসে প্রাত্যহিকতা দীর্ন মনকে সজীব 0করে তোলে।পরিবেশের দোহাই দিয়ে বইমেলাকে একসময়ে ময়দানের ঠাঁই হারাতে হয়েছে। আজ ময়দানে বইমেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার এতো বছর পরও কী পরিবেশ দূষণ বন্ধ হল? কিন্তু এখন এটা Book fair নাকি selfie fair.চারিদিকেDslr এর মেলা।বই গুলো বা বইমেলা কীগৌন হয়ে পড়েছে?বইগুলোর সাথে selfie তোলাই বা বাদ যায় কেন? কিন্তু তাও বলব বইমেলা মানে আনন্দময় অন্তর, বইপোকাদের কাছে ভালোবাসার, ভালোলাগার শিহরণ।long liveআমাদের বইমেলা।আমাদের ভালোবাসা। আমাদের বইমেলা।

# শহরের বইমেলা।।

Anindita chaudhuri

Advertisements

খুব যুক্তিহীন কিছু অন্ধবিশ্বাসে
তুমি আগলে রাখো
আমার বাউন্ডুলে শহর আর অস্থিরতাকে।❤
ani

প্রেমে মেতেছ বুঝি??
কালো আলিঙ্গনে
প্রথম প্রেমের স্বপ্ন স্পর্শে
ঠোঁটের ডগায় রাতের ছোঁয়া
মায়াবী স্পর্শে
সময়ের ম্যাপ বিছানার চাদরে
কুঁকড়ে যায়।
চিরনিরবাসিত বৃষ্টি ব্যালকনি বেয়ে ঝরে যায় অঝোর ধারায়।।

প্রেমে মেতেছ বুঝি?কালো আলিঙ্গনে?প্রথম প্রেমের স্বপ্ন স্পর্শে
ঠোঁটের ডগায় রাতের ছোঁয়া মায়াবী স্পর্শে সময়ের ম্যাপ বিছানার চাদরে কুঁকড়ে যায়।
চিরনির্বাসিত বৃষ্টি ব্যালকনি বেয়ে ঝরে যায় অঝোর ধারায়।।অন্তত একটা রাতের জন্য এসো, আবদারে এসো মুক্তির প্রশয়ে.. প্রবল শীতের রাতে একক আলিঙ্গনে ,
বেঁচে থাকার তাগিদে পায়ের কাছে অস্তিত্ব লুটিয়ে পডুক..
ছিঁড়ে ফেল ভালোবাসার পরিচয়…ছুঁয়ে দেও অধিকারে ,
অসম প্রেমে হয়তো বা গোপন ভালোবাসায়…..
আমার অভিমান ভরা চোখের ভাষায় তুমিই তো শুধু ছিলে…..জানি আমি মুছে গেছি তোমার ক্যানভাসে …
যখন আমি শীতের অভিমানী অভিধানের পাতায় ।
শীতের সকালে বসন্তের না বলা কথা ,হাতঘড়ির ব্যস্ততায় তোমায় খোঁজে ….
সেই চাহনি আজও হৃদয়ের গভীরে চুম্বকের আকর্ষণে বিরাজিত। অভিমানী কিছু অনুভূতি ইচ্ছেঘুড়ি হয়ে এলোমেলো লাট খেয়ে নামে ভালোবেসে,
শীতঘুমের ভেতর জন্মান্তর নেয় পুরনো প্রেমের ঋণ।তোমার শূন্যতার আগুনে মৃত্যু পুড়ে ছাই হয়ে যায়
ঘুচে যায় জীবনের সব লেনদেন ,ছুঁতে গিয়ে ফিরে ফিরে আসি মৃত্যুর থেকে শীতল বেশী চিরন্তন ছায়াসঙ্গী ।

ভোরে হ’য়ে যাক এক কাপ কবিতা
জন্মনক্ষত্র ঘেঁটে ফের ফিরে আসবো
তোমার জন্য; শুধু তোমার জন্য
শতাব্দী শেষে ইতিহাস সাক্ষী সম্পর্ক প্রাচীন
পাল্টে যাওয়া অনুভূতির ভিড়ে বেঁচে থাকার পারদ খুঁজি

খুব যুক্তিহীন কিছু অন্ধবিশ্বাসে
তুমি আগলে রাখো
আমার বাউন্ডুলে শহর আর অস্থিরতাকে।

ani

অনেক বছর পর । গুনতে গেলে 7 বছর 4 মাস 23 দিন।এতদিন আমি আমার ভেতর একা ছিলাম। আজ এই মুহূর্তে এল এক অস্তিত্ব সংকট।
দুজনেই বসে আছি ক্যাবের backseat এ।তুই সেই চিরচেনা ভঙ্গিতে।সাত বছরে দুজন দুজনকে চিনে নিয়ে অমর হয়ে গেছি। তোকে বলতে চাই অনেক কিছুই। সবতো আর মুখ ফুটে বলা যায় না। ঝাপসা হয় দৃষ্টি অতীতের flashback এ।
হেসে হেসে কত কথা, জাপটে ধরে প্রানপন চুমু খাওয়ার সেই সব দিন গল্পের মতন ছিল। অকস্মাৎ থমকে যাওয়া । তাকানোর চেষ্টা অন্য প্রান্তে। ধরা যেন না পড়ি কোনভাবেই। খানিকটা অপ্রস্তুত।হঠাৎই এত বছর পর দেখা। তাও আবার একই share এর ক্যাবে পাশাপাশি। হবে কি কোন গল্প কথা।সলটলেক নামব আমি।বাকি রাস্তা সঙ্গী হবে স্বপ্ন যাপন।
আজকের পর কেমন আছ আর হয়ত বলা হবে না। সঙ্গী হবে কিছু পুরনো চোরাটান।পুরনো খাতে ডুবব দুজনচোরাটানের আজও কি কিছু অবশিষ্ট আছে?ভীষণ চির চেনা ভঙ্গিতে পাশ ফিরে দেখবে তুমি।
দেখেও হবে না দেখার মতন ভান।
একটা কথা ভীষণ জানতে ইচ্ছে করছে , তুমি কি এখন অন্য জনের।অন্য কারো খাতার বন্দি কলম?
আমার কলম ভীষণ ক্ষতবিক্ষত দিয়ে তোমার মধুর যাপন।
আমার গন্ডি বাধা মানেনি তোমাকে ভালোবেসে,দুজনের প্রেম এক হয়ে গিয়ে পৃথিবী জুড়ে প্রেম বেঁচে ছিল আমাদের।তোর চোখ দুটি ভীষণ কৌতুহলী বুঝতে পারছি।
কৌতূহলী দুটি চোখে প্রশ্ন বুকে হাজার শতক। অতীত স্মৃতির flashback..ভবিষ্যতের রঙিন স্বপ্নের সন্ধানে ছিল আমাদের স্বপ্ন বিলাস।স্বপ্ন গুলো ছুঁয়ে অনুভব করার।কোন এক শীতের রাতের উষ্ণতা দিয়ে পুড়িয়ে ছিলাম সব স্বপ্ন।
প্রতি রাতে আমার ঘুম ভেঙে যেত অহেতুক কিছু স্বপ্নে। তুমি চলে যাবার পর আমার অঙ্ক মেলেনি।
তারপর থেকে কবিতা পড়ি। আজ ফ্রযেডের dream work পড়ছিলাম।তুই যেন তারই অঙ্গ।মাথার পিছনে গাড়ির backseat.মাথার মধ্যে ঝড়। তোমার আর আমার ব্যবধান এক হাত সীমার বন্দী। এমন অনেক গল্প তো 7 বছরের আগে ছিল।
কত আর নিদ্রাহীন থাকা যায়? কত আর ডায়েরি কেটে ঝড় লেখা যায়।যে ডায়েরিটাতে আমি 7 বছর আগের পরবর্তী জীবন লিপিবদ্ধ করতাম সেটাকে আমি কবর বলি।
সেই কবরে চাপা পড়ে আছে কলেজ জীবনের শেষ সময়গুলো।
আমি জন্ম জেদী। প্রেম নিয়ে আর বাজি লড়ি না। মদ খাই আর হ্যালুসিনেশানে ভুগি।আজ তো সারা রাত আমি নিদ্রাহীন থাকব। আজ তোর পাশে বসে সাহস পাচ্ছি মরে যাবার। বেচে থেকে কেনই বা আর মৃত্ শীতে রোদ পোহাব বল?
চোখে কি আর চোখ রাখতে পারব জানি না।ক্যবের ভিতরটা
কী অন্য দিনের চেয়ে বেশি ঠান্ডা?
তোকে দেখার পর অসহ্য ঠান্ডাটা চেপে ধরেছে।দমবন্ধ লাগছে।কাচ নামিয়ে দিলাম।ক্যাব ছুটছে। ক্যাব থামল করুণাময়ী। নামলাম।
সামনের traffic signal এ দুজনেই দাঁড়িয়ে। খেয়াল করলাম কখন যেন তুই আমার হাতটা ধরে নিয়েছিস।আমি হাত ছাড়াইনি। জ্যাম কাটিয়ে এগিয়ে গেলাম সোজা রাস্তায়।
একটু একটু করে সময় কাটছে। মেঘে ঢাকা আকাশ। ডিসেম্বরের নিম্নচাপ। শরীরের জমে থাকা বিষ ঢালছে প্রকৃতি।শীত করছে খুব। শূন্য মন। আর তা পূরণ করতেই দামাল বেগে বৃষ্টি নেমে এল কলকাতায়। ঠিক যেমন nothing remains like December rain এর মতন।
তোর চুলটা সামান্য উশকো খুশকো দেখতে পাচ্ছি তোর বা হাতের জ্বলন্ত সিগারেটটা নিজের মনে পুড়ে যাচ্ছে।সোজা রাস্তায় হাঁটছি আমরা। আলতো আলোয় কী অদ্ভুত মোহময় লাগছিলো রাতের কলকাতা। 7 বছর পর যেন ভেসে চলেছি অন্য পৃথিবীতে।

নবীন বরনে দেখা অনীক তোর সাথে প্রথম বার। তোর নীল পাঞ্জাবি। প্রথম দেখাতেই আবেশ।
আমি তাকিয়ে ছিলাম তোর দিকে তাই না। সব সময় তোর মাথার পোকা নডত। নিত্যনতুন idea গিজগিজ করতে তোর। কলেজের practical ক্লাসের দিনগুলো ভীষণ মনে পড়ছে। কিছু promise ছিল আমাদের group এর মনে পড়ে?
যা এখন অনেকটাই paralysed..
কেউ যেন আচমকা হাতুড়ি মেরেছিল সেদিন। হাটু দুটো ভীষণ দুর্বল লাগছিল সেদিন। অবাক হয়ে তাকিয়ে রয়েছিলাম।আর সেই চোখের টানেই কী না জানি না তুইও ঘুরে দাড়িয়ে ছিলিস সোজা আমার দিকে চোখে চোখ রেখে। ওটা ছিল আমার বুকের দ্বিতীয় হাতুড়ীর বাড়ি।
কলেজটা যেন আশ্চর্য ভাবে থেমে গেছিল সেদিন।
শীতের দুপুরের নবীন বরণ আর পাশের গাছ থেকে দুটো পাতা থমকে গেল গাছ আর মাটির মাঝখানে। একটা মুহূর্তের মধ্যে আটকে গেছিল অনন্ত।
– ঠিক … নবীন বরনের দিন তোকে আমি দেখেছিলাম অনি । শাড়িতে। তুই শাড়ি সামলাতে ব্যস্ত ছিলিস। আঁচল টা সামান্য উডছিল। আমি ভাবছিলাম কোথা থেকে নেমে এল এই মেয়ে। এই মেয়ে এতদিন কোথায় ছিল। দিকভ্রান্ত নাবিক যেন খুঁজে পেয়েছিল তটরেখা। অন্ধকার প্রথম আলো খুঁজে পেল সেদিন। আমার সব প্রতিজ্ঞার মৃত্যু ঘটেছিল সেদিন।
হাওয়া বইছিল। নীল আকাশ পাতা ছিল আমাদের মাথায়। মনের মধ্যে ভিজে ছিলাম বর্ষার রোদে।

হেটে চলেছি।Christmas এর সাজানো শহরের আলোর রোশনাই।নিউ ইয়ারের প্রস্তুতি গোটা শহর জুড়ে

– চল সামনের রেস্টুডেন্ট এ গিয়ে বসি। চল।হাল্কা নীল নিযন আলো জ্বালানো গোটা রেস্টুডেন্টে ।কফি আর sandwich order দিয়ে এসে বসলাম সাইডের টেবিলে।
বললাম চল বিয়ার খাবি । কী বলিস কী সর্বনাশ। এখন আমায় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে।। এটা তো মহা গেরো। কুলকুল করে ঘামছিস তুই বুঝতে পারছি।- এমন করে ভ্যাবলার মতন চেয়ে কেন আছিস?
জানিস চলে যাবার পর ভদকা খেতাম।
আমি চিরকালের টিউব লাইট। কী বলব বুঝতে না পেরে দপদপ করছিলাম। এটা কী সত্যি শীতকাল নাকি বসন্ত।
আমার সবকিছু শেষমেষ তোর কাছে এসে থামে।এতদিন হল ভুলতে পারলাম না কেন? আশেপাশের অনেকেই তো প্রেম পাল্টায়। আমি স্মৃতি পাল্টাতে পারলাম না কেন? বলেছিলাম যেদিন তুই অন্য কাউকে ছুঁবি সেদিন হবে আমার মৃত্যুদিন।
তুই না বলে চলে গেছিস।move on করেছিলাম তাই।
প্রথম প্রেমিকা হয়ে বেঁচে থাকার একটা আলাদা challenge আছে রে নীল। অনেকটা নিস্তব্ধতা । তুইই রেশটা ভাঙলি প্রথম।
বহু বছর পর……..
আমি- হুম।
চুপচাপ আছিস যে? আছিস কেমন?
আমি- যেমনটা রেখে গেছিস শহর ছাড়ার আগে।
কিরে ঝগড়া করছিস বিশ্বাস কর পাল্টাসনি একফোটা….
আমি- যেমনটা চিনতিস তেমনই আছি।
সত্যি বলছিস মনে হয় না।তাহলে এত বছরে তো একটা খোঁজ নিতি।
যোগাযোগ করতে পারতিস
আমি- প্রয়োজন বোধ করিনি।আর অভাব বোধও করিনি
তুই সংসারী হয়েছিস কিনা বুঝতে পারিনি নীল।জিজ্ঞেস করতে পারলাম না।গলা টা শুকিয়ে এসেছিল।
তুই বললি কী করছিস
– একটা school এ চাকরি।
কোথায় আছিস?
বাপের বাড়িতে ….familyr পিছুটান আর নেই রে।
আমার কথা থাক নীল।তুই বল।তোর খবর। বাড়ির খবর।
শহর ছেড়েছিলিস কেন নীল?
-মানসিক দ্বন্দ্ব বুঝিস?
আমাকে চলে যেতে হয়েছিলো ।আমার টাকার দরকার ছিল। অনেক টাকার।
আমি তো তোকে কিছু বলিনি তার জন্য। তোকে তো যেতে দিয়েছি।
হ্যা কেন দিয়েছিলিস যেতে অনি? আটকাতে পারতি।
– সাহসে কোলাযনি।
আজও কেন ঝগড়া করছিস?
শহরের কোলাহল কানে পৌঁচ্ছাচ্ছে না।
আজ হঠাৎই নীল??
– কাল সকালে flight. লন্ডন যাচ্ছি।
ও..সেই চলে যাবি।
এখন আর কলকাতা আগের মতন আর টানে না বল?
চুপ করে কেন আছিস ? কিছু তো বল?
ভাবিনি এভাবে আজ দেখা হবে তোর সাথে।
হুম রে।
প্রেম কি ছিল??
প্রেম নাকি? ব্যার্থ প্রেম বল।প্রেম তো একটা প্রাগৌতিহাসিক অনুভূতি।
আমার প্রশ্নটার জবাব কিন্তু তুই দিলি না।
আসলে কি জানিস মানুষ ফুরিয়ে যায় । না পাওয়ারা মরে না কখনও।
ভালোবাসতিস?
নিজের প্রতি মানুষের যে প্রেম
সেটা হারিয়ে ফেলাই প্রেম। আর যা কিছু খারাপ তার মধ্যে নেশা জন্মায়।এখন আর মন খারাপ নেই, ডিপ্রেশান নেই শুধু অদ্ভুত এক আকাশ বয়ে বেড়াচ্ছি বুকের ভেতর। -আমাদের আলোকবর্ষ দূরত্ব জানিস 7 বছর। ভাবতে পারিস কতদূরে চলে গেছিস।কলকাতার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আমাদের স্মৃতি।এত বছরে কত সম্পর্ক হতে দিয়েও হতে দিইনি , ভেস্তে দিয়েছি তার ইয়ত্তা নেই।এখন এসব ভাবতে গেলে ছোট ঘটনা মনে হয়।তুই আর আমি কতদিন বাঁচব এভাবে স্মৃতি নিয়ে ।সংসারের তুলনায় কতটুকু আয়ু আমাদের ?
-বুকের ভেতরটা কেমন যেন শুকনো লাগছিল । মনে হচ্ছিলো কতদিন শহরে বৃষ্টি নামেনি।তোর প্রতি আমার পুরনো ভালো লাগা গুলো গা গুলিয়ে উঠছিল।কলেজের পর সেই যে যোগাযোগটা বন্ধ করলি আমি কেমন যেন হয়ে গেলাম। আর কোন মিসবিহেভ চাই না রে।শুধু যোগাযোগটা রাখিস।
শেষের কথাটা ভীষণ কষ্ট দিচ্ছিল। মনে হচ্ছিল এক দৌড়ে পালিয়ে যাই। আমি আর কথা বাড়াতে চাই না। হাঁটা দিয়েছিলাম restaurant ছেড়ে। এভাবে শেষ করে দিবি আবার সবটুকু।আমি ক্লান্ত …ভীষণ ক্লান্ত রে…. ……..দীর্ঘ ছেদহীন এক বিশ্রাম। আমি বুক ভরে শ্বাস নিলাম।তোকে ছেড়ে দেওয়ার decision এর পর থেকে নিজেকে গোরু মনে হয়।।
শোন তুই নেশার ঘোরে ভুল বকছিস।ছাড় আমায়। আমায় বাড়ি ফিরতে হবে। বাওয়ালি করিস না। আমি আর তোকে ভরসা করে বাঁশ খেতে চাই না।ছাড়।।দেখ এত সেন্টিমেন্টাল হোস না । বান্ধবী , প্রেমিকা এমন করিস না। এমন করলে চলে না, তুই যদি চলে যাস, চলে গেলে সমাধান করব কীভাবে? তুই নিজেও কী শান্তি পাবি এতদিন পরে??না তুই ছাড় আমায়।একটা সময় পর ছাড়তে জানতে হয়।7 বছর আগের মৃত লাশ আগলে থাকিস না আর। সম্পর্কটা মৃত। ওটা আর আগলাস না।
-মনটাকে আর মেরে ফেলিস না।এলোমেলো জীবনটাকে আবার সাজাতে পারি নতুন করে।মনমরা হোস না। এখন একটু বাঁচার ভরসা চাই।আর শ্বাস নেবার মতন বাতাস।
যা চলে যা– অপেক্ষা করব সারাজীবন তোর জন্য।।
যেতেই যখন বলছিস অপেক্ষা করিস না।
অসম্পূর্ণ বৃও থাক বলছিস……. কী বলিস??এক কক্ষপথে যাত্রা করতে ভয় পাচ্ছিস নাকি??
সত্যি বলছি আমরা জীবনটাকে উপন্যাস বানিয়ে ছাড়লাম।
প্রেমে আঘাত হওয়া নায়ক নায়িকা। টাকার অভাবে ডুবতে বসা দুটো জীবন। সলিউশনের জন্য দু প্রান্তে যাত্রা।একজন দেশ ছাড়ল।একজন অন্যের জন্য কাটিয়ে দিল 7 বছর।।
পুরনো জিনিস মনে পড়ছে।পুরনো সময় এসে থমকে যাচ্ছে নতুন সময়ে।সম্পূর্ণ হচ্ছে অপেক্ষা।
স্বপ্ন দেখছি। জীবন স্বপ্ন দেখার পকরিযা। আজ সন্ধ্যার তোর সাথে দেখা হওয়াটা কী সত্যি ছিল?? আমি স্বপ্ন দেখছি না তো??চোখ খুলব?? খুললেই ভেঙে যাবে না তো স্বপ্নটা??
দেখা হবে আবার কোন এক বছরের শেষ শীতে।তখন অসমাপ্ত আলিঙ্গনে কম্পাসের মানচিত্র সংকীর্ণ কলকাতা শহরে দিক ভুল করবে।।
গন্তব্যরা এত দ্রুত আসে কেন??
আমার কেন জানি না খুব পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। চোখ ছলছল।চশমার ভেতর দিয়ে দু এক ফোঁটা জল নামবে নামবে করছে।তোর চোখে চোখ পড়তেই জলবিন্দু টুপ করে লাফিয়ে নামল গালে। এমন বর্ষার কোন মরশুম লাগে না।
সন্ধা নামছে। গাড়ি ছেড়ে আমরা রাস্তায় নেমে এসেছি। অতীত দৃশ্য সব ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। আজ কী পূর্ণিমা। চাঁদটাকে বেশী উজ্জ্বল লাগছে যেন অন্যদিনের তুলনায়।
পূনিমার চাঁদ শীতের রাতের স্মৃতিসৌধ বানিয়ে দিয়ে যাচ্ছে আজ। দুই তরফের বরফ স্মৃতি গলবে কী আজ।গন্তব্যরা এত দ্রুত কেন আসে??
ক্ষনিকের সুখস্মৃতি কী শুধুই মূল্যহীন চোরা টান।
টুকরো টুকরো স্মৃতিগুলো শীতের ঝরাপাতার মতন হারিয়ে যাচ্ছে ভিড়ে। স্বপ্ন দেখছি না তো? স্বপ্নে ব্যাপার গুলো দ্রুত ঘটে।
শেষ পৃষ্ঠার হাতরানো না দেখা উওর। ভালো থাকার প্রতিজ্ঞারা আজ ঘুনধরা। এর মাঝে কেটে গেল 7 বছর। সমুদ্র সম পথ। আমাদের ছুঁয়ে দিয়ে যাচ্ছে রাতের আকাশের কুয়াশারা।সব কিছুর শেষে তুমিও আমায় বলবে — আভি না যাও ছোড় কার এ দিল আভি ভরা নেহী।।

বড়দিনের গল্প

# ছোট গল্প

#দিয়ার সান্টা

বড়দিনের আগের দিন রাতে সান্তা আসে।সান্তা এসে 5 বছরের দিয়ার বালিশের পাশটাতে কত কিছু উপহার রেখে যায়।ক্যাডবেরী,টেডী,বারবি ডল,টুপি,বাঁশী আরও কত কি ! সান্তা আসে গভীর রাতে গরম জামা টকটকে লাল রঙের, ফোলা ফোলা উলের কোট  , ধবধবে সাদা পশমের পাড় দেওয়া, মাথায় লাল টুপি পরে তারা বেরোয় দিয়ার মতো মিষ্টি বাচ্চাদের উপহার দিতে ,পিঠে ঝোলা নিয়ে বরফ দেশ থেকে আসে স্লেজ গাড়ি চেপে।
বড়দিনের দিন পার্ক স্ট্রীট,নিউ মার্কেট ঘুরে বাবা মা কিনে দিত এত্ত কেক,বেলুন,ক্রিসমাস-ট্রি।খুব আনন্দে কাটত প্রতিবছর এই সময়টা।বাবা মা দিয়াকে তো সব দিক দিয়ে ভরিয়ে রেখেছিল।
বছর ঘরল।
দিয়া পুরনো স্মৃতি ঘাটতে বসল।
এমনি এক 24 শে ডিসেম্বর রাতে মা বাবা গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টে ওকে ছেড়ে চলে গেছে।

বাবা বলতেন সান্টাকে নিয়ে স্লেজ টানবে ওরা সান্টার রেইনডিয়ার । কি মজা!!” ছোট্ট দিয়া হাততালি দিয়ে বলে উঠত।
ছোটবেলার স্মৃতি নদীতে ভেলা ভাসায় ছোট্ট দিয়া , তার ছোটবেলাতেও প্রথম সান্টাক্লসকে চেনা তার বাবার কাছে গল্পশুনে। সেই ইউনিকর্নের দিনগুলো, সেই পরী, সেই গাছ বুড়ো, সেই লালকমল নীলকমল, সেই ভূতের রাজার দিনগুলোতে ফিরে ফিরে যাওয়া । আজ সব হারিয়ে গেছে ..সব। একসময় ওরা খুব কাছের ছিলো, এখন তারা অনেক দূরে। এক আলোকবর্ষ ।বাবার কাছে আর যাওয়া হবে না। বাবা আর নতুন গল্পও শোনাবে না।
…‘মা বাবা যে কেন আকাশের তারা হয়ে গেল কে জানে?আমিও একদিন চুপি চুপি আকাশের তারা হয়ে যাব।’ আট বছরের দিয়া মনে মনে ভাবে।
মা বাবার সান্নিধ্য ভালবাসার অভাবে দিয়া যন্ত্রণায় দুঃখে ক্ষত বিক্ষত হয়েছে। অনাথ আশ্রমের বারান্দায় বসে দিয়া দেখছে ঝুপ্-ঝুপ্ করে শীতের সন্ধ্যা নামছে শহরের বুকে।কাল বড়দিন।শহর সেজে উঠবে আনন্দে।আজ মেঘ নেই।বিরাট আকাশের বুকে হাজার হাজার তারা ঝিক্-মিক্ করছে।দিয়ার মনের মধ্যে একটা বিষাদের ঠান্ডা স্রোত বয়ে যাচ্ছে যেন। ‘মা-মাগো বাবা তুমি কোথায়..? কোন্ তারার মাঝে লুকিয়ে আছো তুমি?আমি যদি তারা হয়ে যাই,তাহলে কি তোমায় ফিরে পাবো মা?জানিনা তো! তারার কাছে পৌঁছোবার রাস্তা চিনিনা যে!’
দিয়ার চোখের তারা তখন চিক্-চিক্ করছে। দু ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল গাল বেয়ে।দূরে গীর্জায় ঘন্টাধ্বনি শোনা যাচ্ছে—–‘ ঢং ঢং ঢং—–।
কাল যে বড়োদিন দিয়া আজও তারাদের ভিড়ে সান্টা বাবার জন্য অপেক্ষা করে অনাথ আশ্রমের বারান্দায় বসে।।

#Anindita chaudhuri
( বড়দিনের গল্প)

Be your own Santaclause.

If Life is working well, wish for more.
Don’t stop.
Count your blessings!!
WHATEVER IT IS ,BE YOUR OWN SANTACLAUSE.

If Life is little hard, depressing, tiring.
Don’t expect gifts from others.
WHATEVER IT IS ,BE YOUR OWN SANTACLAUSE.

Before offering help to others.
Don’t forget to help yourself .
Ignore not , your happiness for others.
WHATEVER IT IS ,BE YOUR OWN SANTACLAUSE.

Path of success , though the climax is beautiful.
Don’t forget the beginning is tiring sometimes.
Rest a bit in between but keep walking.
As walking feet will find the road.
WHATEVER IT IS ,BE YOUR OWN SANTACLAUSE.

Punishment is not the only way to motivate yourself,
Pamper sometimes.
Cuddle sometimes.
WHATEVER IT IS ,BE YOUR OWN SANTACLAUSE.

If golden spring is all around you.
Know it’s your hardwork which caused it.
Enjoy the spring but continue the work, however hard it is.
WHATEVER IT IS ,BE YOUR OWN SANTACLAUSE.

Have a heart.
Have a laugh.
Have an emotion.
Have a cheer.
Have a gift.
As not everyone meets Santaclause.
So what, be your own Santaclause…
Humble effort to inspire to be your own Santaclause!!!
Merry Christmas!!
Happy New year!!💐💐😘😘😊

Land-form Created by river system:

Potholes:

.These are the deep natural underground cave formed by the erosion of rock, especially by the action of water

.These currents erode the river’s bed and create small depressions in it.

.These are drilled into the bed of a river and are cylindrical in nature.

.The diameter and depth varies from few centimeters to meters.

.These are formed due to the whirling impact of the water current in the upper course of the river.

.In India, the potholes can be observed in the river bed of the Kukadi, Krishna and Godavari river in Maharashtra.

A representational picture is given below :

V-Shaped valley:

.In mountain ranges, you will find these types of valleys

.V-shaped valleys have steep valley walls with narrow valley floors

.V-Shaped valleys are deep river valleys with steep sides that look like a letter V, a diagram shown below will give you a better understanding

.These are generally formed by the result of erosion and withering by fast flowing rivers and are generally formed in the upper course of the river.

.A deep and narrow valley with steep sides is called a Gorge.

.Many gorge are found in river Ulhas in Thane district in Maharashtra and the gorge of the river Narmada at Bhedaghat near Jabalpur in Madhya Pradesh are well known.

Waterfalls (Geological):

.Waterfalls are formed due to erosion of both hard rock and soft rock.

. As the river flows over the resistant rock, it falls onto the less resistant rock, eroding it and creating a greater height difference between the two rock types, producing the waterfall.

.Over thousands of years, the repeated collapse of the cap rock and retreat of the waterfall produces a gorge of recession.

.Waterfalls exist because of difference in rock types. When a river flows, it passes through many different rock types and when a river passes from a resistant rock bed to a softer one, it erodes softer one very quickly and at the junction between the rock types, it steepen its gradient.

.The highest waterfall in the world is Angel Falls in Venezuela (~800 m).

.The largest waterfall is the Chutes de Khone (Khone Falls) on the Mekong River in Laos.

.The Niagara Falls on the river Niagara and Jog falls in Karnataka on Sharavathi river are famous waterfalls.

Meanders and Ox-bow lakes:

.Meanders are bends in a river that form as a river’s sinuosity increases.

.A meander forms when moving water in a stream erodes the outer banks and widens its valley, and the inner part of the river has less energy and deposits silt.

.Meanders form a snake-like pattern as the river flows across a fairly flat valley floor.

.The sinuosity of a river is a measurement of how much a river varies from a straight line.

.Meanders are formed due to lateral erosion and as the erosion increases over the period of time, the meanders in the river again start flowing in the straight line.

.Meanders formation is a self-intensifying process where a greater curvature results in more erosion of the bank which in turn results in greater curvature.

.Oxbow lakes are an evolution of meanders that undergo extensive deposition and erosion

.When the meanders cut from the main course and water accumulates in this pool then it resembles the shape of the ox bow.

Fan shaped plains:

.These are formed in the region where the Tributaries Rivers joins the main river.

.These are formed due to the deposition of material carried by the Tributaries Rivers.

.These flows come from a single point source at the apex of the fan, and over time move to occupy many positions on the fan surface.

.This deposition resembles the shape a Fan like plains

Flood Plains:

.These are formed due to the overflows of the river and flood in the nearby areas.

.It is an area of low-lying ground adjacent to a river, formed mainly of river sediments and subject to flooding.

.Floodplains are made by downstream travelling meanders.

.Slit carried by the water gets deposited in flooded areas and formed flat plains on both sides of river.

.The Gangetic plain is a flood plain.

Levees:

.It is an embankment built to prevent the overflow of a river by a ridge of sediment deposited naturally alongside a river by overflowing water.

.When a river floods, it deposits its load over the flood plain due to a dramatic drop in the river’s velocity as friction increases greatly.

.Repeated floods cause the mounds to build up and form levees.

Delta:

.Delta is a terms coined by Herodotus (The Father of History) after the Greek letter Delta because of the deltoid shaped at the mouth of the Nile river.

.A river delta is a landform that forms from deposition of sediment carried by a river as the flow leaves its mouth and enters slower-moving or standing water.

.This occurs where a river enters an ocean, sea, estuary, lake, reservoir, or (more rarely) another river that cannot transport away the supplied sediment.

.Over the period of time this deposition builds the characteristic geographic pattern of a river delta.

.Sunderbans delta of the Ganga River is the largest in the world.

Landform created by the actions of River

Glacier:

.A glacier is a persistent body of dense ice that is constantly moving under its own weight; it forms where the accumulation of snow exceeds its ablation over many years.

.On an average day a glacier moves 1 to 15 meters a day.

.There are two types of glaciers, Continental Glacier and Alpine or Mountain glacier

Landforms Created by Glacier:

Cirque:

.It is half-open steep-sided hollow at the head of a valley or on a mountainside, formed by glacial erosion.

.Cirques are created by glaciers, grinding an existing valley into a rounded shape with steep sides.

.The back wall of the cirque is like a high cliff and the floor is concave and huge in size. The total shape resembles an armchair.

.When a glacier melts completely, water accumulates in the cirque and forms a lake which is known as a tarn.

U-shaped valley:

.Ushaped valleys, or glacial troughs, are formed by the process of glaciation. They are characteristic of mountain glaciation in particular. They have a characteristic U shape, with steep, straight sides and a flat bottom

.As the erosion of the sides is greater than that of the floor, a valley is formed with vertical sides and a wide floor. This valley is called a U-Shaped valley.

.These valleys can be several thousand feet deep and tens of miles long.

.As a glacier moves downhill through a valley, usually with a stream running through it, the shape of the valley is transformed. As the ice melts and retreats, the valley is left with very steep sides and a wide, flat floor. This parabolic shape is caused by glacial erosion striving to decrease friction as much as possible

Hanging Valley:

.It is a valley which is cut across by a deeper valley or a cliff.

.Hanging valleys are often associated with valley glaciers, joining the main valley along its sides.

.Hanging Valley Landforms Have 2 Main Characteristics – a valley that leads to another valley below and A cliff or steep wall below the meeting point

.They are the product of different rates of erosion between the main valley and the valleys that enter it along its sides.

.The tributaries are left high above the main valley, hanging on the edges, their rivers and streams entering the main valley by either a series of small waterfalls or a single impressive fall

Fjord:

.Geologically, a fjord is a long, narrow inlet with steep sides or cliffs, created by glacial erosion

.Fjords are common in Norway, Greenland and New Zealand.

Moraine

.The material transported and deposited by a glacier is known as moraine.

.a mass of rocks and sediment carried down and deposited by a glacier, typically as ridges at its edges or extremity

.Zigzag hills, with many steeps slopes, made up of long stretches of sand and gravel are called eskers.

.The oval shaped hills of lesser height are called drumlins.

.There are 4 types of moraines – Lateral, Medial, Terminal and Ground